তুমি আছো তাই
(পর্ব-২)
-আপাতত ম্যাথ বুঝতে যাচ্ছি।আপনার সাব্জেক্ট পরে বুঝবো।এই অহন চলতো।(মীরার বেস্টি অহনা)
-কেন যে অযথা ছেলেটার মাথা গরম করলি।সরি বলে দিলেই তো পারতি।
-No Ahona,,তুই এটা বলিস না।এসব সিনিয়র ছোকড়াকে লাই দিলে এরা মাথায় চড়ে বসে।আর তুই তো কালকে দেখলি ছেলেটা কি অভদ্র আচরণ করলো আমার সাথে।
-Ok বাদ দে।ক্লাসে যাই
-হুম
এদিকে নিলয়ের শরীর রাগে গিজগিজ করছে।কোথাকার কোন মেয়ে তাকে কন্টিনিউ অপমান করেই যাচ্ছে।কাল রাস্তায় আর আজ ক্যাম্পাসে।
-নাহ ব্যপারটা দেখতেই হচ্ছে।নিলয় এতো কিছুর পরেও চুপ থাকতে পারেনা।কিছু একটা করতেই হবে।ওই টিকটিকিকে আমি দেখে ছাড়বো।আপাতত একটা ভালো ব্র্যান্ডের পারফিউম কিনে নেই।নইলে টিকটিকিটা আবার নাক সিটকাবে।(আপন মনে কথাগুলো বলতে বলতে নিলয় বেরিয়ে গেলো)
সেদিন সন্ধায়.....
-পালক একটা হেল্প করতো দোস্ত।
-বাব্বা,আজ বহুদিন পর কোনো হেল্প চাইছিস।কি ব্যপার??
-বদমেজাজি টিকটিকিটার নাক সিটকানো রাগ আর সহ্য হচ্ছেনা।কিছু একটা করা লাগবে বুঝলি।
-তুই আবার কি করার কথা বলছিস??
-টিকটিকিটার টিক টিক করা বন্ধ করাতে হবে।খুব বেশি কথা শুনায় আমাকে।আমি চাই ও আমার চারপাশে বাকি মেয়েদের মতো ঘুরঘুর করুক।
-ওই মেয়ে তোর পিছনে ঘুরঘুর করবে??কঠিন কাজ বস।ও কে জানিস??
-কে??(হেয়ালি ভাব নিয়ে)
-ও ফয়েজ আহম্মেদ এর একমাত্র তেজী মেয়ে মীরা।
-ওহ আচ্ছা,,তো এই টিকটিকির নাম মীরা।নাইস নেইম।
-ফয়েজ আহম্মেদের পাওয়ার তোর বাবার মতই।খুব প্রভাবশালী।তোর বাবা হয়তো ওনাকে ভালো ভাবেই চিনে।যা করবি ভেবে চিনতে করিস।
-Chill দোস্ত।যা করবো ভেবেই করবো😎😎
-আচ্ছা,,কিছু খাবি নাকি বাড়ি ফিরবি এখন??
-না,চল কিছু খাই।মা বাড়ি নেই আজ।শুধু শুধু নিলুকে কষ্ট দিবো না।বাইরে থেকেই খেয়ে নি।(নিলয়ের ছোট বোন নিলিমা।নিলয় ভালবেসে নিলু বলে ডাকে)
-বাবা কালকে এক্সাম ফি দিতে হবে।কিছু টাকা দিও তো।
-আমাকে বলছিস কেনো??তোর যা লাগবে তুই একাউন্ট থেকে তুলে নিবি।
-ও বাবা😊 আমার বেশি টাকা লাগবেনা।শুধু এক্সাম ফি টাই লাগবে।আর তুমি নিজের হাতে এক্সাম ফি টা দিলে আমার এক্সাম ভালো হয় জানো না??
-আমার পাগলিটা মামনিটা,,ঠিক আছে আমিই দিবো।
-love u baba😍
-love u too princes💘আচ্ছা মা তোর ভার্সিটিতে কোনো সমস্যা হয়না তো??হলে আমাকে বলিস।আমি কথা বলে দিবো
-না বাবা কোনো সমস্যা হয়না।আর ইউ নো না মীরার কাছে কোনো সমস্যা ঘেসতেই পারেনা।
-হুম তা জানি।কিন্তু আমার চিন্তা তুই কি বুঝবি বল😞আমার তো তুই ছাড়া কেউ নেই।তাই তোকে নিয়ে ভাবনাটাও অনেক বেশি।
-হয়েছে হয়েছে অনেক ভেবেছো।এবার ওষুধটা খেয়ে নাও তো দেখি।তারপর শুয়ে পড়বে।
-ঠিক আছে মা,,আপনার আদেশ শীরধার্য।
-হুম😁
কি ব্যপার আজ এখনো আসছেনা কেনো??আমি যে প্লেন করেছি তা তো ওই টিকটিকিটা জানে না।(নিলয় বারবার ঘড়ি দেখছে আর কথাগুলো বলছে)
-ওহ ওই তো আসছে।দাঁড়াও টিকটিকি আজকে হোচ্ছে তোমার😜....
Please read the next part...

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Give your opinion, please!